নিউজ আপডেট | ই-কৃষক | Page 2

Category Archives: নিউজ আপডেট

পটুয়াখালীতে মুগ ডাল মেলা

মুগ ডাল উৎপাদনে দেশের শীর্ষে পটুয়াখালী জেলা। বিশ্ববাজারে এ জেলার মুগ ডালের বাজার সৃষ্টিসহ কৃষকদের এই ডাল চাষে উদ্বুদ্ধ করতে পটুয়াখালীতে গতকাল রোববার দিনব্যাপী আয়োজন করা হয় ‘মুগ ডাল মেলা’।
ইউএসএআইডি অ্যাগ্রিকালচার ভ্যালু চেইনস প্রকল্পের সার্বিক সহযোগিতায় পটুয়াখালী জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যায়ামাগারে মুগ ডাল মেলা যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব আইসিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (বিআইআইডি), ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের সংগঠন এসএমই ক্লাব, পটুয়াখালী শিল্প ও বণিক সমিতি এবং কৃষি সম্প্রসারণ সহায়তা কার্যক্রম প্রকল্প।
সকাল ১০টায় মেলা উদ্বোধন করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক এ কে এম শামিমুল হক সিদ্দিকী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিআইআইডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শহীদ উদ্দিন আকবর, কৃষি সম্প্রসারণ সহায়তা প্রকল্পের দলনেতা বিদ্যুৎ হালদার, উপদলনেতা ফাহাদ আল জর্জি, পটুয়াখালীর শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ, এসএমই ক্লাবের সদস্য কবির শিকদার, আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টল ঘুরে দেখেন।

সূত্র: প্রথম আলো, ২৪ এপ্রিল ২০১৭

সময় ও খরচ বাঁচাবে উদ্ভাবিত ধান শুকানোর যন্ত্র

যন্ত্রটি সম্পর্কে প্রকল্পের প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা বলেন, এ ড্রায়ারটি (শুকোনোর যন্ত্র) ব্লোয়ার, ভিতরের ও বাইরের খাঁচা, গরম বাতাস পরিবহন পাইপ এবং চুলার সমন্বয়ে গঠিত। দেশের কয়েকটি চাতাল মিলে এ ড্রায়ার পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাতে দেখা যায় যে এ ড্রায়ারে মাত্র ৩ থেকে ৫ ঘণ্টায় ৫০০ কেজি ধান শুকানো যায়। এতে ধান বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতাও প্রায় ৯০ ভাগ বজায় থাকে এবং চালের গুণগত মানও নিশ্চিত হয়। মাত্র দুজন লোক দিয়েই যন্ত্রটি পরিচালনা করা সম্ভব।

BAU-Pic-2

বর্তমানে দেশে প্রায় ৫৫.৫ মিলিয়ন টন ধান উৎপাদন হচ্ছে। উৎপাদিত ধানের বেশিরভাগই শুকানো হয় রোদে। এতে ধানকে চাল এবং চালকে ভাত করে খাবার টেবিলে পৌঁছাতে প্রায় ১৩ ভাগ ধানের অপচয় হয়। এছাড়াও বৃষ্টি বা মেঘলা দিনে ধান শুকানো কষ্টকর ও সময়সাপেক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। এ সমস্যা নিরসনের জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক উদ্ভাবন করেছেন বিএইউ-এসটিআর ড্রায়ার (ধান শুকানো যন্ত্র)। এ যন্ত্রের সাহায্যে স্বল্প সময় ও খরচে ধান শুকানো যাবে।

ধান শুকানোর যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের গবেষক অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা ও তার গবেষক দল এবং গবেষণা প্রকল্পের ইন-কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর ছিলেন অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল আলম।

যন্ত্রটি সম্পর্কে প্রকল্পের প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা বলেন, এ ড্রায়ারটি (শুকোনোর যন্ত্র) ব্লোয়ার, ভিতরের ও বাইরের খাঁচা, গরম বাতাস পরিবহন পাইপ এবং চুলার সমন্বয়ে গঠিত। দেশের কয়েকটি চাতাল মিলে এ ড্রায়ার পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাতে দেখা যায় যে এ ড্রায়ারে মাত্র ৩ থেকে ৫ ঘণ্টায় ৫০০ কেজি ধান শুকানো যায়। এতে ধান বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতাও প্রায় ৯০ ভাগ বজায় থাকে এবং চালের গুণগত মানও নিশ্চিত হয়। মাত্র দুজন লোক দিয়েই যন্ত্রটি পরিচালনা করা সম্ভব।

যন্ত্রের প্রধান উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, যন্ত্রটি দিয়ে কম সময়ে ও স্বল্প খরচে ধান শুকানো সম্ভব। এর মাধ্যমে ধানের আর্দ্রতা কমিয়ে উন্নত মানের চাল এবং বীজ বাজারজাতকরণ করা যায়। এছাড়া ফলনোত্তর অপচয় এবং শ্রম ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তিনি আরো বলেন, ২০১৫ সনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগ ইউএসএইড-ইউএসএ এবং ফিড দ্য ফিউচারের আওতায় ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়েজ কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় গবেষণা শুরু করে। এতে সাফল্য আসে ২০১৬ সনের মাঝামাঝিতে। যন্ত্রের নামকরণ করা হয় বিএইউ-এসটিআর ড্রায়ার।

এই উদ্ভাবনী যন্ত্রের দাম ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। তবে এতে ধান শুকানোর খরচ অনেক কম। একটি ড্রায়ারে প্রতিদিন ১ টন ধান শুকানো যায়। রাইস হাস্ক ব্রিকেট বা চারকোল (কয়েল খড়ি) এবং বিদ্যুৎ অথবা ডিজেল ইঞ্জিন দ্বারা চালিত হয় যন্ত্রটি। সারাদেশে এটি ছড়িয়ে দিলে কৃষকরা যেমন ন্যায্যমূল্য পাবেন, সেই সঙ্গে অনেক অপচয় রোধ হবে।

প্রকল্পের ইন-কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল আলম জানান, রোদে যদি ধান শুকাতে এক টাকা খরচ হয়, তাহলে এই যন্ত্রের সাহায্যে শুকাতে ৮৭ পয়সা লাগবে। এতে করে সময় ও শ্রম দুটিই সাশ্রয় হচ্ছে। এছাড়া তাপ উৎপাদনের জন্য কয়েল খড়ি ব্যবহার হয় বিধায় কোন রকম ধোঁয়া হয় না। ফলে অর্থনৈতিকভাবে এবং পরিবেশের জন্য এই ড্রায়ার কার্যকরী ভূমিকা রাখবে।

সূত্র: বাকৃবি গবেষকের সাফল্য, শাহীন সরদার, বাকৃবি প্রতিনিধি
Agri News 24.com; ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

৫০ কেজি ইউরিয়ার কাজ করবে এক কেজি জীবাণু সার

কৃষিপণ্যের ঊর্ধ্বমূল্যের বাজারে আশার আলো দেখাবে জীবাণু সার। ডাল জাতীয় শস্যের জমিতে এ সার ব্যবহার করলে ইউরিয়ার দরকার হবে না। পাশাপাশি ধানের জমিতে জীবাণু সার ব্যবহার করলে ইউরিয়া সারের সাশ্রয় হবে শতকরা ২৫ ভাগ। প্রায় ৫০ কেজি ইউরিয়া সারের কাজ করে দেয় মাত্র এক কেজি জীবাণু সার, যার উৎপাদন খরচ হয় মাত্র ৭৫ টাকা। বাংলাদেশের ধান ও ডাল জাতীয় শস্যের জমিতে জীবাণু সার প্রয়োগ করলে দেশের ইউরিয়া সারের আমদানিতে সাশ্রয় হবে কোটি কোটি টাকা। সার নিয়মিত তৈরি করতে সক্ষম মসুর ডালের শিকড়ে গুটি বা নডিউল সৃষ্টিকারী নতুন তিনটি ব্যাকটেরিয়ার শনাক্তকরণ ও নামকরণ করে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিনা) তথা বাংলাদেশকে নতুনভাবে বিশ্বের দরবারে পরিচিত করলেন বিজ্ঞানী ড. হারুন অর রশীদ। প্রায় ছয় বছর গবেষণার পর আবিষ্কৃত এ তিনটি ব্যাকটেরিয়ার নাম আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশ করেছেন বিনার এ সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা। আশার কথা হল ওই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা তৈরি হবে জীবাণু সার। ফলে সাশ্রয় হবে ইউরিয়া সার। বৈজ্ঞানিক নামকরণের স্বীকৃতি প্রদানকারী আন্তর্জাতিক জার্নাল ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব সিস্টেমিক অ্যান্ড ইভল্যুশনারি মাইক্রোবায়োলজিতে Rhizobium bangladeshense (R), Rhizobium binae (R) Ges Rhizobium lentis (R) হিসেবে এ তিনটি ব্যাকটেরিয়ার নাম প্রকাশিত হয়েছে। নামকরণের ব্যাপারে তিনি নিজের নামের পরিবর্তে দেশ ও বিনার নামকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।

সূত্র: যুগান্তর ; এসএম আশিফুল ইসলাম, বাকৃবি থেকে | প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০১৫

৫৪ গুণ বেশি ফলন দেবে যে ধান

৫৪ গুণ বেশি ফলন দেবে যে ধানপ্রখ্যাত জীন বিজ্ঞানী টনি মিলার নতুন ধরনের প্রোটিন সমৃদ্ধ ধানের জাত আবিষ্কার করেছেন যেটি সাধারণ জাতের চেয়ে কমপক্ষে ৫৪ ভাগ বেশি ফলন দেবে।

মুলার বলছেন, তার এই প্রোটিন সমৃদ্ধ ধান নিজেই নিজের পিএইচ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ফলে এই জাতটি মাটি থেকে উচ্চতর মাত্রার নাইট্রোজেন, আয়রন এবং ফসফরাস গ্রহণ করতে পারে। বিজ্ঞানভিত্তিক পত্রিকা সায়েন্স ডেইলির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ধান বিশ্বের অন্যতম একটি প্রধান খাদ্য শস্য। বিশ্বের প্রায় ৫০ ভাগ মানুষ এই খাদ্যের ওপর নির্ভরশীল। তাছাড়া অন্য দানাদার শস্যগুলোও মোট উৎপাদন ব্যয়ের তালিকায় নাইট্রোজেন অন্যতম। এই নাইট্রোজেনের অতিরিক্ত ব্যবহার একদিকে যেমন অর্থের অপচয় করছে তেমনি ক্ষতি করছে পরিবেশেরও।

নাইট্রোজেন হচ্ছে উদ্ভিদের শারীরিক বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান যা মাটিতে নাইট্রেট এবং অ্যামোনিয়াম আয়ন হিসেবে থাকে। উদ্ভিদ এগুলো শিকড়ের মাধ্যমে গ্রহণ করে। পরিমাণ মতো নাইট্রেট এবং অ্যামোনিয়াম গ্রহণ উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা অতিরিক্ত অ্যামোনিয়ামে উদ্ভিদ কোষ ক্ষারীয় এবং বেশি নিইট্রেটের উপস্থিতিতে সেগুলো অম্লীয় হয়। কাজেই পিএইচ মাত্রা সঠিক না হলে উদ্ভিদের এনজাইম সঠিক ভাবে কাজ করে না। ফলে উদ্ভিদ স্বাস্থ্য এবং ফলনে ব্যাপক প্রভাব পড়ে।

কীভাবে ধান গাছ পরিবর্তনশীল আবহাওয়ায় পিএইচ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তার একটি ছক আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী মিলার তার নানজিং গবেষকরা।

বিজ্ঞানী মিলার হচ্ছেন যুক্তরাজ্যের প্রখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান জন ইনেস সেন্টরের জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী যিনি মুলক মলিকুলার বায়োলজি নিয়ে কাজ করেন।

মুলারের দাবি, ধানে একটি বিশেষ ধরনের জীন আছে। যেটিকে বলা হচ্ছে OsNRT2.3। এটিই মুলত প্রোটিন তৈরি এবং নাইট্রেট পরিবহন করে। প্রোটিন পার্থক্যের কারণে এই জীনের আবার দুটি রুপ হয়েছে। OsNRT2.3a ও OsNRT2.3b। বিজ্ঞানী মিলার আবিষ্কার করেন যে, ধানের অভ্যন্তরীণ পিএইচ এর ওপর নির্ভর করে OsNRT2.3b জীনটি নাইট্রেট এর চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।

যখন b প্রোটিন ধানের গাছে প্রকট আকারে প্রকাশ পায়, তখন ধানগাছ পরিবর্তিত পরিবেশের পিএইচ এ বেশি কার্যকরী হয়। ফলে গাছ বেশি পরিমাণে নাইট্রোজেন, আয়রন এবং ফসফরাস গ্রহণ করতে পারে।

গবেষণা বলছে, এঅবস্থায় ধানের ফলন কমপক্ষে ৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি পায় এবং নাইট্রোজেনের ব্যবহার ৪০ শতাংশ বাড়ে।

মিলার বলেন, ‘আমরা জানি কোন নির্দিষ্ট জীনের কারণে ধানের নাইট্রোজেন ব্যবহার এবং ফলন অপ্রত্যাশিতভাবে বাড়ে। কাজেই আমরা এখন চাইলেই উচ্চ ফলনশীল নতুন ধানের জাত তৈরি করতে পারব। এমনি অন্য ফসলও। এটি আমাদের এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে যে, পরিবেশের কোনো ক্ষতি ছাড়াই বিশ্বের খাদ্য চাহিদা পূরণ করতে পারব।

এরইমধ্যে এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে ৬টি ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবনের পদক্ষে নিয়েছে ৩টি বহুজাতিক কোম্পানি। যেখানে চাইনিজ সরকারের মুখ্য ভূমিকা রয়েছে।

এসপি/একে

সূত্র: সময়ের প্রয়োজনে পরিবর্তন ডেস্ক / ৯:০১ অপরাহ্ন, জুন ০৯,২০১৬

শিমের নতুন দুই জাত উদ্ভাবন সিকৃবি শিক্ষকের, চাষ হবে সারা বছর

শীতকালীন সবজি শিম। আমিষসমৃদ্ধ সবজি শিম শীতকালে সারা দেশেই চাষ হয়। তবে এখন থেকে বছরজুড়েই চাষ করা যাবে শিমের। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ নতুন জাতের দুটি শিমের উদ্ভাবন করেছে। এটি চাষ করে বছরজুড়েই ফলন পাওয়া যাবে। বাড়তি কোনো খরচও হবে না।

সিকৃবির উদ্যানতত্ত্ব্ব বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম শিমের এ নতুন দুটি জাত উদ্ভাবন করেন। এরই মধ্যে সিলেট অঞ্চলের ৭০/৮০ জন কৃষক এ নতুন দুই জাতের শিম চাষ করেছেন। তারা ফলনও পেয়েছেন ভালো। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে এ দুটি জাত বাজারজাতকরণের সনদও দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরুর আগে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে চাকরিকালে শিম নিয়ে গবেষণা শুরু করেন শহিদুল ইসলাম। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে এটি পূর্ণতা পায়।

শহিদুল ইসলাম বলেন, শিম আলোক সংবেদনশীল ফসল। ছোট দিনে শিমগাছে ফুল ফোটে। অক্টোবরের শেষদিকে শিমগাছে ফুল আসতে শুরু করে।

তিনি বলেন, শিমের মধ্যে প্রচুর ভিটামিন ও প্রোটিন আছে। আমাদের মতো গরিব দেশে, যেখানে অনেকেই মাছ মাংস খেতে পারে না— তাদের জন্য শিম ভিটামিনের বিকল্প উৎস হতে পারে। এ চিন্তা থেকে আমরা শিমের দিবসনিরপেক্ষ জাত উদ্ভাবনের কাজ শুরু করি। ২০১১ সাল থেকে এ কাজ শুরু হয়। গত বছর আমরা সিকৃবি শিম-১ ও সিকৃবি শিম-২ নামে শিমের দুটি জাত উদ্ভাবন করি। মন্ত্রণালয় থেকেও এ দুটি জাতের বাজারজাতকরণের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

ড. শহিদুল বলেন, ‘এ দুটি জাতের শিম কেবল শীতকালে নয়, বছরের যেকোনো সময় চাষ করা যাবে। সারা বছরই ফুল ও ফল ধরবে। নতুন এ দুই জাতের শিম চাষে বাড়তি কোনো খরচ পড়বে না।’ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ও কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন এ গবেষণায় আর্থিক সহযোগিতা করেছে বলে জানান শহিদুল। তিনি জানান, এ জাত দুটি শীতের পর পর মার্চ মাসে বপন করলে জুন-জুলাই থেকে ফল আরোহণ শুরু করা যায়।

হবিগঞ্জের মাধবপুর এলাকায় নিজের জমিতে এ দুই জাতের শিমের চাষ করেছেন কৃষক আব্দুল মোতালিব। তিনি বলেন, এসব জাতের শিম চাষে বাড়তি কোনো খরচ করতে হয়নি। প্রতি শতক জমিতে তার উৎপাদন খরচ পড়েছে ১৪-১৫ হাজার টাকা। ফলনও ভালো হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কৃষ্ণ চন্দ্র হোড় জানান, সিলেটে গত কয়েক বছরে সবজি চাষে বিপ্লব হয়েছে। শিমের নতুন জাত উদ্ভাবনের ফলে কৃষকরা লাভবান হবেন। তাছাড়া শিম সারা বছর চাষ করা হলে দেশের পুষ্টির জোগান বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 সূএ: Sylhettoday24.com
     প্রকাশিত: ২০১৬-০৬-০২ ০০:৩৮:২০   আপডেট: ২০১৬-০৬-০২ ১৮:১৫:৪৮

আয়রন ও জিঙ্কসমৃদ্ধ সুগন্ধি ধানের জাত উদ্ভাবন

গবেষণায় এগিয়ে দেশ: আয়রন ও জিঙ্কসমৃদ্ধ সুগন্ধি ধানের জাত উদ্ভাবন

দেশের ধান বিজ্ঞানীদের সাফল্যের ডানায় এবার যুক্ত হচ্ছে আরো একটি নতুন জাত-বিইউ সুগন্ধি হাইব্রিড ধান-১।

গাজীপুরের সালনায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরকৃবি) জেনেটিক্স এন্ড প্লান্ট ব্রিডিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. এ. খালেক মিয়া ও অধ্যাপক ড. নাসরীন আক্তার আইভী নিরলস গবেষণায় সম্ভাবনাময় এই ধানের জাত উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছেন।

উদ্ভাবিত এই জাতটি একাধারে দুটি বিশেষ গুণের অধিকারী। বিইউ সুগন্ধি হাইব্রিড ধান-১ প্রথমত: বিশেষত্ব হলো এটি মানবদেহের জন্য অতি প্রয়োজনীয় মাইক্রো-নিউট্রিয়েন্ট (গৌণপুষ্টি উপাদান) আয়রন ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ। দ্বিতীয়ত: এটি সুগন্ধি।

বিইউ সুগন্ধি হাইব্রিড ধান-১ এর উল্লেখযোগ্য আরও বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- আমন ও বোরো মৌসুমে চাষ উপযোগি, মৌসুম ভেদে ফলন ৫-৬ টন, আমন মৌসুমে চাষ উপযোগি একমাত্র হাইব্রিড সুগন্ধি ধান।

অধ্যাপক ড. এম. এ. খালেক মিয়া জানান, আয়রন ও জিঙ্কসমৃদ্ধ সুগন্ধি ধানের জাতটি দেশের আমন মৌসুমের একমাত্র হাইব্রিড সুগন্ধি ধান। এ জাত নিজস্ব জার্মপ্লাজম (A, B এবং R লাইন) ব্যবহার করে উদ্ভাবিত। আমন মৌসুমে সুগন্ধি ধান উৎপাদন করার উদ্দেশ্যেই প্রথম গবেষণা শুরু হয়। পরে পরীক্ষায় দেখা যায়, জাতটির চালে প্রচুর জিঙ্ক ও আয়রন রয়েছে, যা মানবদেহের আয়রন ও জিঙ্কের ঘাটতি কমাতে সহায়তা করবে। জাতটি আমন ও বোরো উভয় মৌসুমে আবাদযোগ্য।

জাতটির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে অধ্যাপক নাসরীন আক্তার আইভী বলেন, এ জাতের ধানের ফলন আমন মৌসুমে হেক্টর প্রতি পাঁচ টন এবং বোরো মৌসুমে হেক্টর প্রতি ছয় টন। এ জাতের ধানের আমন মৌসুমে জীবনকাল ১০০-১১০ দিন এবং বোরো মৌসুমে ১৪০-১৪৫ দিন। এর চাল খুবই চিকন ও লম্বা। প্রতি কেজি চালে ২২ মিলিগ্রাম জিঙ্ক ও ১০ মিলিগ্রাম আয়রন রয়েছে। জাতটি যেহেতু আগাম, তাই কৃষকরা আমন ধান কাটার পর রবিশস্যের আবাদ করতে পারবেন।

অধিক পরিমাণে এই ধান চাষাবাদে খাদ্য ও পুষ্টি নিরপাত্তা বিধানের পাশাপাশি রপ্তানি করেও লাভবান হওয়ার সুয়োগ রয়েছে জানিয়ে এই গবেষক আরও জানান, সুগন্ধি ধান একটি দানাজাতীয় খাদ্যশস্য। বাংলাদেশে প্রচুর সুগন্ধি ধান উৎপাদিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রচ্যের বাজারে সুগন্ধি চালের চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে দেশ থেকে সুগন্ধি চাল রফতানিও হচ্ছে। উচ্চফলন ও যথোপযুক্ত প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে সুগন্ধি চাল রপ্তানি করে আরো অধিক লাভবান হওয়া সম্ভব।

বহুমাত্রিক.কম,

০১ জুন ২০১৬ বুধবার, ০৭:০৯  পিএম
webphoto

‘কৃষি সম্প্রসারণে সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচলনের পর থেকে প্রতিদিনের যোগাযোগ আরো গতিশীল হয়ে উঠছে। এপ্রিল ২০১৬-এর তথ্য অনুযায়ী প্রতি মাসে শুধু ফেসবুকে প্রায় ১০ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ব্যবহারকারী সক্রিয় থাকে। বিশ্বে সক্রিয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ছয় কোটি ২০ লাখ। সব বয়সের মানুষই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, লিঙ্কড ইন, ইনস্টাগ্রাম  ইত্যাদি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত এর ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। বর্তমান সময়ে মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম, তথ্যবিনিময়, মতামত প্রদানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে কৃষি সম্প্রসারণ এবং পরামর্শ সেবাকে গতিশীল করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো একটি সম্ভাবনাময় মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিআইআইডির যৌথ উদ্যোগে কৃষি সম্প্রসারণ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের জন্য আইসিটিভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম পোর্টাল www.extension.org.bd উদ্বোধন করে। এই ওয়েবসাইটটি কৃষিতথ্য সম্প্রসারণ, জেন্ডার, জলবায়ু পরিবর্তনসহ অন্যান্য বিষয়ে তথ্যবিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এরই ধারাবাহিকতায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি সম্প্রসারণ ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগে ২ জুন-২০১৬ তারিখে ‘কৃষি সম্প্রসারণে সোশ্যাল মিডিয়ার ভূমিকা’  শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দার আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব আইসিটি ইন ডেভেলপমেন্টের (বিআইআইডি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদ উদ্দিন আকবর। কৃষি সম্প্রসারণ ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এম এম শফিউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ড. মো. মাহবুবুল আলম। কৃষি সম্প্রসারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর উপস্থাপনা প্রদান করেন বিআইআইডি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদ উদ্দিন আকবর। ওপেন সেশনে অভিজ্ঞ শিক্ষকরা তাঁদের কৃষিতে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারের গুরুত্ব ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন। এ ছাড়া আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র বিভাগের সম্মানিত শিক্ষক ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা। ntv online , ০৫ জুন ২০১৬, ১৩:২৮

The ‘ZERO COST’ Extension Model

The ‘Zero Cost’ extension model has been developed by BIID which is a business model for extension and advisory services (EAS) to serve small holder farmers through private sector partners powered by ICT. It is a model which will facilitate free extension related information and advisory services for the clients (farmers) which will be bundled with input packages. Every farmer who buys an input package will be entitled to receive an information service package whose value will depend on the value of products. As part of its continuous innovation process, BIID has explored the various EAS models in Bangladesh as well as in other countries and has developed the ‘zero cost’ model through a consultation process with the input suppliers and other stakeholders like business associations. As such this model provides a sustainable business case to the private sector who play a major role in the agricultural extension eco system. Bangladesh Seed Association (BSA) expressed their interest to collaborate with BIID on new EAS model. BIID is also under collaboration process with development partners to pilot and implement the model in field.

zero cost

sfsfclosing news

আগামীর কৃষক, ই-কৃষক ক্যাম্পেইনের সমাপনী অনুষ্ঠানঃ সেরা দশ আইডিয়াদাতাদের সাথে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ আইসিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (বিআইআইডি) অত্যন্ত  আনন্দরে সাথে ‘আগামীর কৃষক, ই-কৃষক’ নামক সারা দেশব্যাপী আয়োজিত ক্যাম্পেইনের সমাপনী অনুষ্ঠান ঘোষণা করছে। এ অনুষ্ঠানে বিআইআইডিকে সহযোগিতা করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং গ্রামীনফোন। এই সমাপনী অনুষ্ঠানে বিআইআইডি সারাদিন ব্যাপী এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের আয়োজন করে যেখানে সেরা দশ আইডিয়াদাতাকে মানিকগঞ্জের বায়রাতে স্মার্ট ভিলেজে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করেন। এরপর বিজয়ীরা ই-কৃষক, স্থানীয় উদ্যোক্তা এবং সার্ভিস প্রোভাইডারদের  সাথে পরিচিত হন। এই এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম শেষ হয় চ্যানেল আই এর ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠান পরিদর্শনের মাধ্যমে এবং তাদের জনপ্রিয় উপস্থাপক এবং সাংবাদিক জনাব শাইখ সিরাজের সাথে দেখা করার সুযোগ করে দেয়া হয়।

বিআইআইডি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও গ্রামীনফোন এর সহযোগিতায় প্রাথমিকভাবে দেশের ১০০টি স্থান থেকে তরুণ কৃষক ও কৃষিপণ্য ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে আইডিয়া জমা হয়। এসব আইডিয়াগুলো থেকে সেরা ১০০টি আইডয়িা পুরষ্কৃত করা হয়। এছাড়াও অগ্রসর ৩ জন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও ৩ জন উদ্যোক্তা কে বিশেষ সম্মাননা দেয়া হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় তথ্য মন্ত্রী জনাব হাসানুল হক ইনু, এমপি। মো. শহীদ উদ্দিন আকবর, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বিআইআইডি এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সীড এসোসিয়েশন এর সভাপতি আনিস-উদ-দৌলা, বিটিআরসির চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (পরিকল্পনা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আইসিটি উইং) জিএম আবুজার, উপ-পরিচালক (আইসিটি ম্যানেজমেন্ট) ডঃ অনিল কুমার দাস এবং গ্রামীন ফোনের পরিচালক (যোগাযোগ) মি. মারকোস প্রমুখ।

smart farmer smart future campaign prize giving ceremony

“আগামীর কৃষক, ই-কৃষক” কর্মসূচিতে অংশগ্রহনকারী বিজয়ীদের পুরষ্কার বিতরণ

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব আইসিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (বিআইআইডি), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও গ্রামীনফোন এর উদ্যোগে আয়োজিত আগামীর কৃষক, ই-কৃষক কর্মসূচিতে অংশগ্রহনকারী বিজয়ীদের পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ৭ এপ্রিল, ২০১৫ মঙ্গলবার সকাল ১০.০০ টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, খামারবাড়ি, ঢাকা-এর সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় তথ্য মন্ত্রী জনাব হাসানুল হক ইনু, এমপি।

মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় উল্লেখ করেন আমারা আমাদের কৃষককে ই-কৃষক তখনই বলতে পারবো যখন আমাদের কৃষকরা মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে কৃষির যাবতীয় বিষয়গুলোকে হাতের মুঠোয় নিয়ে এসে উৎপাদন ও বিপনন ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে আর্থসামাজিক ও ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে নিয়ে আসবে। বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার শুধু ঘোষনা দিয়েই থেমে থাকেনি এর বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপসহ একটি কার্যকরী নীতিমাল গ্রহন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ আমাদের কৃষিসহ সকল ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। তিনি কৃষির সাথে সম্পৃক্ত সকল সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকে গ্রাম পর্যায়ে যে সমস্ত প্রতিকূলতা আছে সেগুলোকে চিহ্নিত করে কৃষির একটি সমৃদ্ধ তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন লগসই প্রযুক্তি গুলো কৃষকের দোড়গোড়ায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

বিআইআইডি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও গ্রামীনফোন এর সহযোগিতায় প্রাথমিকভাবে দেশের ১’শটি স্থান থেকে ১লাখ তরুন কৃষক ও কৃষিপণ্য ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে ৭’শটি আইডিয়া জমা হয়। এসব আইডিয়াগুলো থেকে সেরা ১০০টি আইডিয়া বাস্তবায়নের জন্য গ্রহন করা হয় এবং এদের মধ্য থেকে আইডিয়া প্রদানকারী, অগ্রসর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও বিশেষ উদ্যোক্তা-এ ৩ ক্যাটাগরিতে ৯ জনকে পুরষ্কৃত করা হয়। মাননীয় তথ্য মন্ত্রী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

মো. শহীদ উদ্দিন আকবর, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বিআইআইডি-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সীড এসোসিয়েশন এর সভাপতি আনিস-উদ-দৌলা, বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (পরিকল্পনা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আইসিটি উইং) জি.এম আবুজার, উপ-পরিচালক (আইসিটি ম্যানেজমেন্ট) ডঃ অনিল কুমার দাস এবং গ্রামীন ফোনের পরিচালক (যোগাযোগ) মি. মারকোস প্রমুখ।